বিশ্বে করোনায় একদিনে মৃত্যু হাজারের কম, আক্রান্ত ৪ লাখ

আন্তর্জাতিক মহানগর লিড নিউজ সমগ্র বাংলা স্বাস্থ্য

মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমে আসছে। রোববার (২৪ এপ্রিল) বিশ্বে করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৫৮ জন, আর এ রোগে মৃত্যু হয়েছে ৯৭৭ জনের। এ ছাড়া এই দিন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫ লাখ ২২ হাজার ১৬ জন। মহামারি শুরুর পর থেকে এ রোগে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হালনাগাদ সংখ্যা প্রকাশকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার্স থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

ওয়ার্ল্ডোমিটার্সের পরিসংখ্যান বলছে, ২৪ এপ্রিল বিশ্বে করোনা সংক্রমণে শীর্ষে ছিল দক্ষিণ কোরিয়া, আর এই দিন কোভিডজনিত অসুস্থতায় সর্বোচ্চ মৃত্যু ঘটেছে রাশিয়ায়। দক্ষিণ কোরিয়ায় এইদিন করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৬৪ হাজার ৭২৫ জন ও কোভিডজনিত অসুস্থতায় মৃত্যু হয়েছে ১০৯ জনের। একই দিন রাশিয়ায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৬৮ জনের; আর করোনা পজিটিভি হিসেবে সেখানে শনাক্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৪৪৬ জন।

২৪ এপ্রিল বিশ্বের অন্যান্য যেসব দেশে করোনার সংক্রমণ-মৃত্যুর উচ্চহার দেখা গেছে, সেসব হলো- ফ্রান্স (নতুন আক্রান্ত ৫৮ হাজার ৯৫৪ জন, মৃত্যু ৪০ জন), ইতালি (নতুন আক্রান্ত ৫৬ হাজার ২৬৩ জন, মৃত্যু ৭৯ জন), জার্মানি (নতুন আক্রান্ত ৩১ হাজার ২৬৭ জন, মৃত্যু ২২ জন), থাইল্যান্ড (মৃত্যু ১২৬ জন, নতুন আক্রান্ত ১৭ হাজার ৭৮৪ জন)।

বিশ্বে বর্তমানে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৫ কোটি ৮১ লাখ ২৯ হাজার ৮৪১ জন। এই রোগীদের মধ্যে করোনা মৃদু উপসর্গ বহন করছেন ৫ কোটি ৮০ লাখ ৭৫ হাজার ৩৮৩ জন এবং গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আছেন ৫৪ হাজার ৫৫৮ জন। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে বিশ্বের প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়।

করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনাটিও ঘটেছিল চীনে। তারপর অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। কিন্তু তাতেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় অবশেষে ওই বছরের ১১ মার্চ করোনাকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে ডব্লিউএইচও।

ওয়ার্ল্ডেমিটার্সের তথ্য বলছে, মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৫০ কোটি ৯৫ লাখ ৪২ হাজার ৭৩৭ জন এবং এ রোগে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬২ লাখ ৪৩ হাজার ১৯৯ জনের। এছাড়া, এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ৪৬ কোটি ২২ লাখ ৭৩৬ জন।